ইতিহাসনামায় আপনাকে স্বাগতম

আর্মেনীয় গণহত্যা: অটোমান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে এক জঘন্য মিথ্যাচার - লিখেছেন - শাকিল আহমেদ


গণহত্যা কাকে বলে? এর সংজ্ঞা পাওয়া যায় ১৯৪৮ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের গণহত্যা বিষয়ক সম্মেলন থেকে। সেখানে দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হচ্ছে নৃতাত্ত্বিক, জাতিগত কিংবা ধর্মীয় কোনো জনগোষ্ঠীকে আংশিকভাবে অথবা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করার লক্ষ্যে চালানো যেকোনো ধরনের পদক্ষেপ গণহত্যা বলে প্রতীয়মান হবে। অর্থাৎ, এখানে স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে গণহত্যা হতে হলে অবশ্যই "নির্মূল করার ইচ্ছা" থাকতে হবে।

শত শত বছর ধরে আর্মেনীয়রা মুসলিম শাসনের অধীনে থাকলেও তারা প্রায় সবাই খ্রিস্টান রয়ে গেছেন। বর্তমান আর্মেনিয়ায় খ্রিস্টান ৯৭% আর মুসলিম রয়েছে ০.১% এর মতো (১০০০ জন)। অধিকাংশ প্রাচীন মসজিদ ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। বর্তমানে আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে মাত্র একটি মসজিদ বিদ্যমান রয়েছে।

আর্মেনীয়দের দাবি অনুযায়ী ১৯১৫-১৬ সালে অটোম্যান সাম্রাজ্যের ভাঙ্গনের সময় ১৫ লক্ষ নিরীহ আর্মেনীয় জনগণ গণহত্যার শিকার হয়েছিল। আন্তর্জাতিকভাবেও এটা গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের বেড়াজালে চাপা পড়ে আছে অনেক সত্য, যা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত থেকে বের হয়ে এসেছে।

ওই সময় অটোম্যান সরকারের করা আদমশুমারি ও অন্যান্য তথ্য উপাত্তের উপর ভিত্তি করে অনেক নিরপেক্ষ ইতিহাসবিদই বলেছেন সেসময় আর্মেনীয় জনগণের সংখ্যা ১৫ লাখের অনেক কম ছিল। অথচ আর্মেনীয়রা দাবি করে থাকে এ গণহত্যায় ১৫ লক্ষ নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল যা স্পষ্টতই মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। কেননা, কিভাবে নিহত জনসংখ্যা মোট বসবাসকারী জনসংখ্যার থেকে বেশি হয়? এর উত্তর আর্মেনীয়দের কাছ থেকে কখনই পাওয়া যায়নি।

প্রাসঙ্গিকভাবে বলে রাখা ভালো যে, তখন অটোমান সরকারের আদমশুমারি দপ্তরের প্রধান ছিলেন অটোম্যান আর্মেনীয় নাগরিক মিগ্রিদিচ সাবানিয়ান (১৮৯৭-১৯০৩)। তাই ঐ আদমশুমারির তথ্য যে সঠিক ছিল এতে কোনো সন্দেহ নেই।

তুরস্কের ইতিহাস সোসাইটির সভাপতি ইউসুফ হালাকগ্লু অনেক তথ্য-উপাত্তের উপর ভিত্তি করে বলেছিলেন-

"ওই সময় স্থানান্তর এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অন্যান্য প্রেক্ষাপটে প্রায় ৫৬ হাজার আর্মেনিয়ান মারা যান। আর প্রায় ১০ হাজারের কম আর্মেনীয় সরাসরি অটোমানদের হাতে নিহতের শিকার হন।"

তুরস্কের প্রাক্তন অস্ট্রেলীয় রাষ্ট্রদূত পি এফ পিটার্স বলেন-

"যুদ্ধকালীন সময়ে অটোমানদের কখনোই গণহত্যার পরিকল্পনা ছিল না। আর্মেনীয়দের রাশিয়ার সীমান্তবর্তী সম্মুখ সমর অঞ্চল থেকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার খাতিরে কেবল স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। কেননা আর্মেনীয়দের অনেকেই শত্রুপক্ষ রাশিয়ানদের সাথে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক সহযোগিতা করেছিল।"

আর্মেনীয়দের মধ্যে কিছু ব্যক্তি ছিল যারা রুশ সাম্রাজ্যের সাথে অটোম্যানদের যুদ্ধের সময় রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। তারা রাশিয়ানদের সহযোগিতা করতে থাকে। স্বাভাবিকভাবেই এতে অটোমানরা আর্মেনীয়দের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়। ফলে অপরাধের সাথে যারা জড়িত এবং রাষ্ট্রদ্রোহী মূলক আচরণ যারা করেছে তাদেরকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হয়। এতে করে বেশকিছু আর্মেনীয় সশস্ত্র হয়ে ওঠে এবং অটোমানদের সাথে বিদ্রোহ করতে থাকে। ফলে অটোমানদের হাতে বহু আর্মেনীয় নিহত হয়। অটোমানরা সিদ্ধান্ত নেয় সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে আর্মেনীয়দেরকে সরিয়ে ফেলতে হবে যাতে করে তারা আর রাশিয়াকে সহযোগিতা না করতে পারে।






স্বয়ং আর্মেনীয় ইতিহাসবিদ মিকায়েল ভারান্দিয়ান তার বিখ্যাত 'History Of The Armenian Movement' বইতে লিখেছেন-

"অটোমান আর্মেনীয়রা রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে সম্পূর্ণরূপে স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারত। অন্যদিকে রাশিয়ার চাইতে অটোমানদের কাছেই আর্মেনীয়রা বেশি নিরাপদ ছিল। কেননা রাশিয়ান জারদের তুলনায় তুর্কিরা আর্মেনীয়দের ঐতিহ্য, ধর্ম, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ভাষা ব্যবহারের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিল।"

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপরই ১৯১৯ সালে থেকে ১৯২২ সাল পর্যন্ত এক বিশেষ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অটোমান নির্বাহীদের বিরুদ্ধে আর্মেনীয়দের অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখা হয়। সেভার্স শান্তি চুক্তির আওতায় অটোমান সাম্রাজ্য তখন ভেঙে খানখান হয়ে গেছে। কাজেই মিত্রবাহিনীর আদেশে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের তাদের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হয় অটোমান সরকার। এই প্রক্রিয়ায় ১৪৪ জন অটোমান নির্বাহী কর্মকর্তাকে আটক করে মাল্টাতে স্থানান্তর করে ব্রিটেন। স্থানীয় আর্মেনীয় এবং তাদের ধর্মযাজকদের থেকে পাওয়া তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

ব্রিটিশ গোয়েন্দারা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার সততা তন্নতন্ন করে খুঁজতে থাকে। হাইগ খাজারিয়ান নামে ব্রিটিশ নিযুক্ত জনৈক মার্কিন বিশেষজ্ঞ অটোমান এবং ব্রিটিশ মহাফেজখানাতে রক্ষিত সকল দলিল-দস্তাবেজ নিয়ে সার্বিক এক গবেষণা পরিচালনা করেন। কিন্তু মাল্টাতে অভিযুক্ত অটোমান নির্বাহীদের বিরুদ্ধে আর্মেনীয়দের হত্যার নির্দেশ দেওয়া তো দূরে থাক, নিদেনপক্ষে হত্যায় উৎসাহ প্রদান করার কোনো প্রমাণও তিনি খুঁজে পাননি। আর্মেনীয়দের উপস্থাপন করা দলিল-দস্তাবেজ তদন্ত করার দায়িত্বে থাকা ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীও এমন কোনো প্রমান হাজির করতে পারেননি। কাজেই মাল্টাতে বন্দি থাকা অটোমান নির্বাহীদের দুই বছর ৪ মাস পর নিঃশর্ত মুক্তি দান করে দিতে হয়। সেখানে স্বাভাবিকভাবেই প্রমাণিত হয় যে আর্মেনীয় জনগণ এবং তাদের ধর্ম যাজকরা যেসব অভিযোগ করেছে তা ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা।

ঐতিহাসিকভাবে গণহত্যা শুরু হয় কোনো জাতির প্রতি অনৈতিক বিদ্বেষ ও বৈষম্য থেকে। যেখানে মিগ্রিদিচ সাবায়ানের মত আর্মেনীয় সরকারের উঁচু পদে উঠে আসতে পেরেছেন, সেখানে আর্মেনীয়রা অটোমান তুরস্কে বৈষম্যের শিকার ছিলেন এ কথা বিশ্বাস করা কঠিন। বরং অন্যান্য নাগরিকদের মতোই আর্মেনীয়দের আমরা অটোমান সাম্রাজ্যের উচ্চ পদ সমূহে বহাল থাকতে দেখেছি। উনবিংশ শতাব্দীর লেখ্যপ্রমাণ থেকে দেখা যায় যে ২৯ জন আর্মেনীয় অটোমান সামরিক বাহিনীর জেনারেল (পাশা) পদে উন্নীত হয়েছিলেন। এছাড়া ২২ জন আর্মেনীয় অটোমান সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী পদে অধিষ্ঠিত ছিল। ৩৩ জন পার্লামেন্টে নির্বাচিত প্রতিনিধি, ১৮ জন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিস এবং ১১ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় কর্মকর্তা ছিলেন।

১৯৯৬ সালে মার্কিন কংগ্রেসে আন্তর্জাতিক বিষয়ক এক সভায় ড. ম্যাককার্থি বলেন-

"আমি বিশ্বাস করিনা যে অটোমান সরকারের গণহত্যার কোন অভিপ্রায় ছিল। এমন সিদ্ধান্তে আসার যুগপদ প্রামানিক ও যৌক্তিক কারণ রয়েছে। যেমন গোপন নির্বাসনের যে সমস্ত নথি পাওয়া যায় তার কোনোটিতেই হত্যার আদেশ দেখা যায়নি। উল্টো বরং ওই সব দলিলে নির্বাসনে থাকা আর্মেনীয়দের সর্বতোভাবে রক্ষা করার আদেশ দেখা যায়। ইস্তানবুলসহ বড় শহরগুলোতে আর্মেনীয়রা অক্ষত অবস্থাতেই স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারত। তাদের গির্জাগুলো ছিল খোলা। অথচ জার্মানিতে ইহুদী গণহত্যার সময় বার্লিনের সমস্ত ইহুদীদেরকে হত্যা করা হয়েছিল এবং তাদের গির্জা ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল। কাজেই অটোমানদের বিরুদ্ধে কোনোভাবেই গণহত্যার অভিযোগ আনা যায় না।"

'আর্মেনীয় যাজক সংঘ' থেকে দাবি করা হয়েছিল যে তাদের পরিসংখ্যান অনুসারে নাকি আনাতোলিয়াতে পূর্বে আর্মেনীয়রা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। কিন্তু পরে দেখা যায় ঔ পরিসংখ্যান কোনরকম তথ্য সূত্র ছাড়াই প্যারিসে বসবাসরত এক লেখক বানিয়েছেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ প্রোপাগান্ডা অফিস থেকে প্রকাশিত চিঠির বরাত দিয়ে তুর্কি অপরাধের জোর দাবি তোলা হয়। কিন্তু পরে দেখা যায় যে ওই চিঠিগুলো আসলে খ্রিস্টান মিশনারী ও আর্মেনীয় বিপ্লবীদের দাঁড়া পাঠানো হয়েছে, যাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

এই দাবীও করা হয় যে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তুরস্কের স্থাপিত কোর্ট মার্শালে প্রমাণ হয়েছে যে যুদ্ধকালীন সময়ে তুর্কিরা গণহত্যায় নিয়োজিত ছিল। যদিও নিবিড় পর্যবেক্ষণে দেখা যায় যে, গণহত্যার অভিযোগ ছিল লম্বা তালিকাতে থাকা অনেক অপরাধের মাত্র একটি এবং সেই অভিযোগগুলো ব্রিটিশ দখলদার বাহিনীর অনুগত যুদ্ধ পরবর্তী তুর্কি সরকারের আমলে করা। আর সেই লম্বা অপরাধের তালিকাতে ছিল অসংখ্য প্রমাণিত মিথ্যা অভিযোগ। মূলত ব্রিটিশ দখলদার শক্তিকে খুশি করার জন্যই ঐ কোর্ট মার্শাল করা হয়েছিল।

বলে রাখা ভাল যে, ড. ম্যাককার্থি আর্মেনীয় গণহত্যার অস্বীকার করা একমাত্র বিশেষজ্ঞ নন। আরো অনেক ইতিহাসবিদই আছেন যারা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে গণহত্যার অভিযোগ অতিমাত্রায় পক্ষপাতদুষ্ট। এদের মধ্যে রয়েছেন, বার্নার্ড লুইস (বিগত), এনভার জিয়া কারাল (আঙ্কারা বিশ্ববিদ্যালয়), সালাহি আর. সোন্যাল (ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ), ইসমাঈল বিনার্ক (ডিরেক্টর অটোম্যান আর্কাইভ, আঙ্কারা), সিনাসি ওরেল (ডিরেক্টর, অটোম্যান আর্মেনীয় দলিলাদির শ্রেণীবিন্যাস সংস্থা), কামুরান গুরুন (সাবেক কূটনীতিক) ও মিম কেমাল ওকি। আরো অনেকেই বলেছেন যে,

ব্লু বুক'কে আর্মেনীয় গণহত্যার দলীল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। অথচ, জেমস ব্রাইস ও আর্নল্ড জে. টয়েনবির লেখা “ব্লু বুক” (অটোম্যান সাম্রাজ্যে আর্মেনীয়দের প্রতি আচরণ, ১৯১৫-১৯১৬) পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য নয়। ব্রিটিশ ও ফরাসী গোয়েন্দা সংস্থার সরবরাহ করা মিথ্যা তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা বইটি মূলত তাদের প্রোপাগান্ডারই অংশ, যা দিয়ে একদিকে যেমন তুরস্কের ভাবমুর্তি নষ্ট করা যাবে, অন্যদিকে তেমনি পরাভূত অটোমান সাম্রাজ্যের বিশাল অংশে তাদের কলোনিয়াল শক্তি প্রতিষ্ঠাকে বৈধতা দেয়া যাবে।




তৎকালীন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে, আর্মেনীয়দের স্থানান্তরিত প্রক্রিয়ায় বাধাদান এবং রাশিয়াকে সহযোগিতার অভিযোগে সহস্রাধিক আর্মেনিয়ান অটোমানদের হাতে নিহত হয়েছিল, একথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু জাতিগতভাবে আর্মেনিয়ানদের নির্মূল করার অভিপ্রায় কখনোই অটোমানদের মধ্যে ছিল না। কাজেই জাতিসংঘের সংজ্ঞা অনুযায়ী এই হত্যাযজ্ঞকে গণহত্যা বলা যায়না। পাশাপাশি ১৫ লক্ষ আর্মেনিয়ান হত্যার যে কাল্পনিক গল্প শোনানো হয়ে থাকে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট।

এমনকি ২০০৪ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এই ঘটনাকে গণহত্যা বলে উল্লেখ করেনি। ২০০৪ সালের পর মার্কিন কংগ্রেস একাধিকবার প্রস্তাব উপস্থাপন করার পর পাশ্চাত্যের ইসলামবিদ্বেষী ধারায় অটোমানদের বিরুদ্ধে এই ঘটনাকে ২০১৯ সালে গণহত্যা বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সেখানেও যে কংগ্রেসের নিরঙ্কুশ ভোটে গণহত্যা বলে স্বীকৃতি পেয়েছিল তা কিন্তু নয়। অনেক কংগ্রেস সদস্যই এর বিরোধিতা করেছিল, যাদের মধ্যে ড. ম্যাককার্থি অন্যতম।

ঐতিহাসিক মিথ্যাচারকে তুরস্ক কখনোই মেনে নেয়নি। স্বাভাবিকভাবেই তুরস্কের সেক্যুলার সরকার কিংবা ইসলামপন্থী সরকার উভয়ই কথিত এই গণহত্যাকে অস্বীকার করেছে এবং নিজেদের সততার স্থানে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। বর্তমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইপ এরদোয়ানও তার একাধিক বক্তব্যে এই ঘটনাকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছে এবং পাশ্চাত্যের মদদে গড়া মিথ্যা এবং রূপকথার গল্প বলে আখ্যায়িত করেছেন। এছাড়া তিনি ২০১৯ সালের ১২ মার্চের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্মেনীয় গণহত্যার স্বীকৃতিকে ‘মূল্যহীন' এবং 'মিথ্যাচার' বলে আখ্যায়িত করেছেন।


 

শাকিল আহমেদ
লেখালেখি আমার পেশা নয় তবে নেশা। জ্ঞানার্জনের তীব্র পিপাসা থেকেই লেখনীর সূচনা।