ইতিহাসনামায় আপনাকে স্বাগতম

পবিত্র আশুরার ইতিহাস - লিখেছেন - মোঃ মোস্তফা জামান মোস্তফা



আশুরার ইতিহাস : 


আরবি মাস হিসেবে ১০ই মহরম ৬১হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০খ্রিস্টাব্দ,দিনটিকে আশুরার দিন বলা হয়।প্রসঙ্গত জেনে রাখা জরুরি আশুরা মানে শুধু কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা নয়।
আশুরা বলতে সাধারণত মুসলমানদের অধিকাংশই দিনটিকে কারবালার দিন বা মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা:)এর নাতি হোসাইন ইবনে আলী আ:এর শাহাদত বার্ষিকীর দিন হিসেবে জানে। 
শাহাদাতের দিন সঠিক কিন্তু ঘটনাটির পূর্বেই ঐ দিনেই আল্লাহর বিভিন্ন অলৌকিক নিদর্শন আছে।১০ মহরম এই দিনটি আল্লাহর বিভিন্ন ঐশ্বরিক ঘটনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ যা মুসলমান হিসেবে সকলেরই জানা উচিত।

শিয়া মতাবলম্বীদের মতে,আশুরার দিনটি কারবালার বিষাদময় ঘটনা- হোসাইন আ: শহীদ হওয়ার স্মরণে পালন করা হয়।এই দিনটিতে তারা বিভিন্ন ধরনের তাজিয়া মিছিল,মিছিলে বুক চাপড়ানো,বুকে-পিঠে ছুরি দিয়ে আঘাত,মাতম,শোকানুষ্ঠান,ততবির পালন করে থাকে।বাংলাদেশে ঢাকায় সাধারণত তাজিয়া মিছিলটি  দেখা যায়। তবে এসব অনুষ্ঠান চোখে পড়ার মতো দেশগুলো হলো-পাকিস্তান,আফগানিস্তান,ইরান,ইরাক লেবালনও বাহরাইনের শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলো।

শিয়া মতানুযায়ী, ইহুদিরা মুসা আ: এর বিজয়ের জন্য আশুরার রোযা পালন করে। সূন্নীরা তাতে ভিন্ন মত পোষণ করে।
১০ মহরম আশুরার দিনটি কারবালায় হোসাইন আ: শহীদ হওয়া ছাড়াও আরো যেসব কারণে গুরুত্বপূর্ণ সেসব হলো,এই একটি দিনেই যা যা ঘটেছিলো -----

▪আসমান ও যমীন সৃষ্টি করা হয়েছিল। 
▪হযরত আদম (আ:) কে পৃথিবীর প্রথম মানুষ     হিসাবে সৃষ্টি করা হয়েছিল।
▪হযরত আদম আ:কে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং ভুলের কারণে আবার পৃথিবীতে প্রেরন করা হয়।আবার তাঁর তওবা কবুল করা হয়েছিল।
▪আল্লাহ স্বয়ং নবীদেরকে স্ব স্ব শত্রু হতে নিজে আশ্রয় প্রদান করেছিলেন।
▪হযরত মুসা আ: এর শত্রু ফেরাউনকে লোহিত সাগরে (ভুল তথ্য- নীলনদ ) ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
▪হযরত মুসা আ: তুর পাহাড়ে আল্লাহর সাথে কথোপতন ও আসমানী কিতাব "তাওরাত" লাভ করেছিলেন।
▪হযরত নুহ আ: ও তার সঙ্গীদের মহাপ্লাবন ও ঝড়ের কবল থেকে রক্ষা করা হয়েছিল।
▪হযরত ইউনুস আ: মাছের পেট হতে পরিত্রান পান।
▪হযরত দাউদ আ: এর তওবা কবুল করা হয়েছিল।
▪হযরত আইয়ুব আ: দুরারোগ্য কুষ্ঠব্যাধি থেকে মুক্তি  ও সুস্থতা লাভ করেছিলেন।
▪হযরত ঈসা আ:এর জন্ম ও আল্লাহ্ তাঁকে সশরীরে আসমানে উঠিয়ে নিয়েছিলেন।
▪হযরত ইব্রাহিম আ:(জাতির পিতা)জন্মগ্রহণ করেন এবং নমরুদের বিশাল অগ্নিকুন্ডে হতে মুক্তি লাভ করেছিলেন।
▪হযরত ইদ্রিসআ:কে বিশেষ মর্যাদায় চতুর্থ আসমানে উঠিয়ে নেয়া হয়েছিল।
▪হযরত ইউসুফ আ: এর সুদীর্ঘ 40 বছর পর তাঁর পিতা হযরত ইয়াকুব আ: এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল।
▪হযরত সোলায়মান আ: সাময়িক রাজত্ব হারিয়েছিলেন এবং এই দিনে রাজত্ব ফিরে পান।
▪কথিত আছে যে,কাবা শরীফ সর্বপ্রথম গিলাফ দ্বারা আবৃত করা হয়।
▪প্রচলিত আছে যে,এই দিনটিতেই কেয়ামত সংঘটিত  বা পৃথিবী ধ্বংস হবে।
তবে এই বিষয়ে বিভিন্নজনের ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে।
উপরে উল্লেখিত অনেক তথ‍্য নিয়েই বিতর্ক বা ভিন্ন মত থাকতে পারে।কারণ তথ‍্যগুলো ধর্মীয় ইস‍্যু।
হযরত ইমাম হোসাইন আ: কারবালায় শহীদ হওয়ার ঘটনাটি পরে যুক্ত হয়।অথচ আশুরা বলতেই আমরা বলে উঠি, ও-অ ইমাম হোসাইনের শহীদের দিন !

◆কারবালার বিষাদময় মর্মান্তিক ঘটনা : 

[[ইমাম হোসাইন আ: এর শাহাদাত বরণ ]]
হিজরী ৬০ সনে এজিদ বিন মুয়াবিয়া পিতার মৃত্যুর পর নিজেকে মুসলিম বিশ্বের খলিফা ঘোষণা করে।তিনি মদ্যপানকে বৈধ ঘোষণা করেছিলো।একই সঙ্গে দুই সহোদরাকে বিয়ে করাও বৈধ ঘোষণা করেছিলো।শাসক হিসাবে সে ছিল স্বৈরাচারী ও অত্যাচারী।

হযরত ইমাম হুসাইন( আ:) এজিদের আনুগত্য অস্বীকার করেন।ইসলামের সংস্কারের জন্য মদিনা ছেড়ে মক্কায় চলে যেতে চান। তিনি মক্কা থেকে কুফার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। ফোরাত নদীর তীরবর্তী কারবালা নামক স্থানে পৌছলে কুফার গভর্নর ওবায়দুল্লাহ ইবনে যিয়াদ তাকে বাধা দেন।অবশেষে  কারবালায় অবস্থান নেন।এসময় উমর ইবনে সাদ আবি ওক্কাসের নেতৃত্বে চার হাজার সৈন্য কারবালায় প্রবেশ করে।কিছুক্ষণের মধ্যে সীমার ইবনে জিলজুশান মুরাদির নেতৃত্বে বহু নতুন সৈন্য এসে তাদের সাথে যোগ দেয়।মোট সৈন্য সংখ্যা কমপক্ষে 4,000 বা 5,000 অথবা সর্বোচ্চ 30,000 অথবা 1,00000। হযরত ইমাম  হোসাইন সঙ্গীসাথীসহ মাত্র ৭০ থেকে ১৫০ জন ছিলেন (সাধারণভাবে বলা হয় ১১০ জন ৬ মাসের শিশু সহ) প্রচলিত ৭২ জন শহীদ সংখ্যাটি এসেছে কর্তিত  মাথার সংখ্যা থেকে। কারবালায় দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। যুদ্ধ শুরু হয়। অসম যুদ্ধ।
এই অসম যুদ্ধে ইমাম হোসাইন ও তাঁর ৭২ জন সঙ্গী শাহাদাত বরণ করেছিলেন।সীমার ইবনে জিলজুশান মুরাদি নিজে কণ্ঠদেশে ছুরি চালিয়ে ইমাম হোসেনকে হত্যা করে।মাথা শরীর থেকে ছিন্ন করে মস্তক বর্ষায় বিদ্ধ করে দামেস্কে ওবায়দুল্লাহর দরবারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।তাঁর দেহ মোবারকে ৩৩ টি বর্ষা ও ৩৪ টি তরবারির আঘাত দেখা গিয়েছিল।শরীরে ছিল অসংখ্য তীরের জখমের চিহ্ন।
সেদিন ছিল আশুরার জুম্মার দিন।


◆কারবালা ঘটনার ঐতিহাসিক পটভূমির পরিপ্রেক্ষিত:


এপ্রিল ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ মুয়াবিয়া কর্তৃক ইয়াজিদকে খলিফা ঘোষণা করা হয়।ইয়াজিদ মদিনার গর্ভনরকে তাৎক্ষণিকভাবে হোসাইনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আনুগত্য আদায়ের জন্য নির্দেশ দেয়। 
কিন্তু হোসাইন তা প্রত্যাখান করেন। হোসাইন মনে করেন ইয়াজিদ ইসলামের মূল শিক্ষা থেকে দূরে সরে গেছে।
মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নাহকে পরিবর্তন করছে। 
এ কারণে ইয়াজিদের রোষানল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে হোসাইন তাঁর পরিবারের সদস্য,সন্তান, ভাই এবং হাসানের পুত্রদের নিয়ে মদিনা থেকে মক্কায় চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
হোসাইন সবাইকে নিয়ে মক্কার কুফা নগরীর উদ্দেশ্যে যাত্রার প্রস্তুতি নেন।অন্যদিকে কুফাবাসী মুয়াবিয়ার  মৃত্যু সম্পর্কে অবগত ছিল।তারা চিঠির মাধ্যমে হোসাইনকে তাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন এবং উমাইয়াদের বিপক্ষে তাকে সমর্থন প্রদান করে।প্রত্যুত্তরে হোসাইন চিঠির মাধ্যমে জানান,পর্যবেক্ষণের জন্য তিনি মুসলিম ইবনে আকিলকে পাঠাবেন।চিঠি মোতাবেক যদি তাদের ঐকবদ্ধ দেখতে পান,তবে খুব দ্রুতই যোগ দেবেন।
কারণ একজন ইমামের দায়িত্ব হচ্ছে কোরআনে বর্ণিত আইন অনুসারে কাজ করা। ন্যায়বিচার সমুন্নত করা, সত্য প্রতিষ্ঠা করা এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার নিকট সঁপে দেওয়া।
মুসলিম ইবনে আকিলের প্রাথমিক মিশন খুবই সফল ছিলো এবং ১৮০০ এর অধিক ব্যক্তি শপথ গ্রহণ করেছিলেন।কিন্তু ইতিমধ্যে আবার শপথ গ্রহণকারী ব‍্যাক্তিদের মতের পরিবর্তনও হয়ে যায়।
ওবায়দুল্লাহ ইবনে যিয়াদ কুফার নতুন গভর্নর হিসেবে যোগ দেন।যোগ দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি মুসলিম ইবনে আকিলকে হত্যার নির্দেশ দেয়।আর এই দিকে আকিল এর মৃত্যুর খবর পৌঁছার আগেই,না জেনে হোসাইন ইবনে আলী কুফা যাত্রা আরম্ভ করেন।
পথিমধ্যে হোসাইন খবর পান যে,কুফাই আকিলকে হত্যা করা হয়েছে।তিনি খবরটি তার সঙ্গী সমর্থকদের জানালেন এবং বললেন,জনগণ তার সাথে প্রতারণা করেছে।তিনি কোনো সংশয় ছাড়াই সাথীদের এও বললেন যে,তোমরা আমাকে ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাও।অধিকাংশ সঙ্গী তাঁকে ছেড়ে চলে যায়।শুধু নিকটাত্মীয়রা তাঁকে ছেড়ে যায়নি।
হোসাইন কুফার সেনাবাহিনীকে তাদের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে বললেন,কুফাবাসীগণ হোসাইনকে আমন্ত্রণ করেছিলেন।কুফাবাসী সমর্থন করেছিলো বলেই তিনি যাত্রা করেছেন কিন্তু তারা হোসাইন এর আগমনকে অপছন্দ করে।সেনাবাহিনী হোসাইনকে যেখান থেকে এসেছেন সেখানে ফিরে যেতে বলেন। সেনাবাহিনী হোসাইনকে অন্য পথ অবলম্বন করতে বলেন।
এটিও ছিলো সেনাবাহিনীর অন্য একটি উদ্দেশ্য। হোসাইন বাম দিকে যাত্রা শুরু করে কারবালায় পৌঁছে গেলেন।সেনাবাহিনী হোসাইনকে এমন জায়গায় অবস্থান নিতে বাধ্য করলো যে জায়গাটি ছিল পানিশূন্য।

সেনাপ্রধান ওমর ইবনে সাদ হোসাইন এর আগমনের উদ্দেশ্য বোঝার জন্য দূত প্রেরণ করলেন।হোসাইন  জানালেন,তিনি কুফাবাসীর আমন্ত্রণে এসেছেন।এতে যদি তাদের আপত্তি থাকে তাহলে তিনি ফিরে যেতে প্রস্তুত আছেন।কিন্তু এই তথ্য যখন ইবনে জিয়াদের কাছে পৌঁছে গেলো তখন তিনি সেনাপ্রধান সাদকে হোসাইন ও তার সমর্থকদের ইয়াজিদের প্রতি আনুগত্য আদায়ের নির্দেশ দিলেন।আরও নির্দেশ দিলেন যে, হোসাইন ও তার সঙ্গীরা যেন কোনো পানি না পায়। আর তাই পরের দিন সকালে ওমর বিন সাদ সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বললেন।
আল হুর ইবনে ইয়াজিদ আল তামিম,
সাদের দল ত্যাগ করে হোসাইন এর সাথে যোগ দিলেন। 
তামিম কুফাবাসীদের বুঝাতে ব্যর্থ হয়ে মহানবী(সা:) এর নাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতার জন্য ভৎসনা করলেন।
পরে যুদ্ধে তিনি নিহত হন।

◆কারবালার যুদ্ধ নিয়ে আরও কিছু তথ্য :


কারবালার যুদ্ধ সকাল থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত স্থায়ী ছিলো। দিনটি ছিলো ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মহরম ৬১ হিজরি ১০ ই অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ।
বর্তমান ইরাকের কারবালা প্রান্তরে সংঘটিত হয়েছিল।
এই যুদ্ধে প্রায় ৭২ জন শহীদ হন,যাদের সকলেই খাওয়ার পানি পর্যন্ত পাননি।সকল পুরুষ সদস্য শহীদ হন,কেবলমাত্র রোগা ও দুর্বল জয়নুল আবেদীন ছাড়া।
এমনকি বাদ যায়নি হোসাইন এর ৬ মাস বয়সী শিশুপুত্র আলী আল আসগর ইবন হোসাইন। 
শিশু আসগরও যুদ্ধে শহীদ হন।
এটি ছিলো একটি অসম যুদ্ধ।যে যুদ্ধে হোসাইন তার পরিবারের সদস্য ও নামেমাত্র কয়েকজন সমর্থক নিয়ে  বিশাল এক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন।
বিখ্যাত ইতিহাসবিদ আবু রায়হান আল বিন্নীএর মতে,
"তাবুগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং মৃতদেহগুলোকে ঘোড়ার খুর ধারা ক্ষতবিক্ষত ও পদদলিত করা হয়। মানব ইতিহাসে কেউ এমন নিশৃংসতা দেখেনি।"
মৃত্যুর আগ মুহূর্তে হোসাইন বলেন,"আমার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে যদি মোহাম্মদের দ্বীন জীবন্ত হয় তবে আমাকে তরবারি দ্বারা টুকরো টুকরো করে ফেলো।"
উমাইয়া সৈন্যরা হোসাইন ও তার পুরুষসঙ্গীদের হত্যা করার পর সম্পদ লুট করে। মহিলাদের গয়না কেড়ে নেয়। সীমার জয়নাল আবেদীনকে হত্যা করতে চাইলে জয়নাব বিনতে আলী এর প্রচেষ্টায় কমান্ডার ওমার ইবনে সাদ রোগা ও দুর্বল হিসেবে তাকে জীবিত রাখেন। তবে তাকেও বন্দী করে শিশু ও নারীদের সাথে দামেস্কে ইয়াজিদের দরবারে নিয়ে যাওয়া হয়।

◆শিয়া সম্প্রদায়ের আশুরা উদযাপনের রীতি :


ইহুদিরা আশুরা উপলক্ষে মহরম মাসের ১০ তারিখে রোজা রাখে।শিয়া সম্প্রদায় মর্সিয়াও মাতম এর মাধ্যমে 
এই দিনটি উদযাপন করে।আশুরা উপলক্ষে ৯ ও ১০ মহরম তারিখে অথবা ১০ এবং ১১ তারিখে মহরম  রোজা রাখা শিয়া মুসলমানরা সুন্নাত মনে করে।

◆সুন্নিদের ভিন্নমত ও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি :

সুন্নিদের বিভিন্ন মতের কারণে আশুরা উপলক্ষে সুন্নি মুসলিমরা সাধারণত দুই থেকে তিনটি নফল রোজা রাখেন।


◆কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা নিয়ে বাংলা সাহিত্য সৃষ্টি :


মীর মশাররফ হোসেন কারবালা প্রেক্ষাপটে 
"বিষাদ সিন্ধু" নামক একটি উপন্যাস রচনা করেছেন।
এই বিয়োগান্তক ঘটনার প্রেক্ষিতে কাজী নজরুল ইসলাম বেশ কিছু কবিতা লিখেছেন।
দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে কারবালার যুদ্ধের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে প্রচুর সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রচলন ঘটেছে  যেমন: মার্সিয়া,নোহা এবং সোয়াজ।
বাংলা ছাড়াও আরবি,উর্দু,আজেরি,সিদ্ধি,তুর্কি ও ফার্সীসহ বিভিন্ন ভাষায় কারবালার ট্রাজেডি নিয়ে সাহিত্য রচিত হয়েছে।


 

মোঃ মোস্তফা জামান
Teacher