খানিকটা বিচলনও যখন-
সেই দীর্ঘক্ষণ দৃষ্টিপথে অন্তরায় হতে পারে নি,
প্রশ্বাসের প্রতিটা আঁচড়েই তুমি তখন 
ভেতরে এঁকেছো সে পথের প্রতিটা ধূলিকেও,
নিঃশ্বাসে দীর্ঘশ্বাসের ধোঁয়াশাতেও যে ছবি এখনো-
ছবি হয়ে ওঠে নি,তা এক সত্য,কালবন্দী বাস্তবচিত্র!
শুষ্ক জীর্ণতা যাকে মলিন করতে পারে না,
তা তোমার অশ্রুসরোবরে নিমজ্জিত,স্রোতহীন জলে সুরক্ষিত।
সে চিত্র কি তবে নিশ্চিত অন্তর্যাত্রার?
নাকি শুধুই দুঃসময়ের অনিশ্চিত দুর্গমযাত্রার?
প্রশ্নবাণের টঙ্কারে তবু স্রোত খেলে না।চিত্রটি কাঁপে না।

তবে সে টঙ্কার তোমার ঠোঁটে বিচলন এঁকে কাঁপে!
পাপড়ির অশ্রুবিন্দু ঠোঁটে গড়িয়ে গোলাপজলে নত হলে,
চেনা ফুলের ঘ্রাণটঙ্কার সেই ঠোঁটে বিচলন এঁকে কাঁপে!
যে কম্পনের আকষ্মিকতায়,
তোমার মৃদু ছন্দের হৃদযন্ত্রটিও পরবশ কম্পনে কাঁপে!
আর সে তরঙ্গের শিহরণে,
যদি সুদূর আকাশে মেঘ গর্জে ওঠে,
বিদায়ের রঙে আঁকা পথটিতে গোলাপজল বৃষ্টি এঁকে পড়ে,
তাতে কি ধুয়ে যাবে সে রঙ?
গোলাপচুম্বনের চেনা ঘ্রাণে ঘটবে প্রত্যাবর্তন?
প্রশ্নবাণের টঙ্কারে তবুও স্রোত খেলে না।চিত্রটি কাঁপে না।
অভিজিৎ সরকার
আমি অভিজিৎ।পড়ি পুরকৌশল বিষয়ে,তবুু পুরো কৌশল আয়ত্ত না করেই লিখতে বসি সময়ে অসময়ে। ভালোবাসি পুরাতনকে জানতে,নতুনকে শিখতে।