ইতিহাসনামায় আপনাকে স্বাগতম

ময়মনসিংহ রাজপরিবারের ইতিহাস (৪র্থ পর্ব) - লিখেছেন - আবিদ আল মুদাব্বির




আজকের পর্বে, শ্রীকৃষ্ণ আচার্যের দ্বিতীয় পুত্র হরিনাম আচার্যের তৃতীয় পুরুষ রামকিশোর এবং তার বংশধরকে নিয়ে আলোচনা চলবে।

রামকিশোর আচার্য চৌধুরী  


১৮৩০ সালে জন্ম শ্রীকৃষ্ণের আচার্যের দ্বিতীয় পুত্র হরিনাম আচার্যের তৃতীয় পুরুষ হলেন রামকিশোর। তিনি প্রচন্ড তেজস্বী ও শক্তিমত্তার অধিকারী ছিলেন। সর্বসাধারণের সুবিধার বিষয়টি তিনি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতেন।
বর্তমানে "মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ি" হিসেবে যে অংশটুকু রয়েছে সেখানেই হরিনাম আচার্যের বংশধর অর্থাৎ রামকিশোর বসবাস করতেন এবং তার অংশের জমিদারী পরিচালনা করতেন।

শ্রীকৃষ্ণ আচার্য তৃতীয় পুত্র, বিষ্ণুরাম আচার্যের চতুর্থ পুরুষ দুর্গাদাস বাবুর তৈরি দেওয়ালে, সর্বসাধারণের যাতায়াতের জন্য রাস্তা বন্ধ করে দিলে রামকিশোর তা ভেঙ্গে ফেলে। যার ফলে দুর্গা দাস এর সাথে রাম কিশোরের মনোমালিন্য ছিল।
 
তৎকালে মুক্তাগাছার জমিদারগণ এমন এক বৈরীতায় অবস্থান করতেন যে এক পর্যায়ে তারা একে অপরের মুখ দেখাদেখি করতেন না। তারা ধর্মীয় উৎসব আলাদা আলাদা ভাবে উদযাপন করতেন। তাই সরকার ফরমান জারি করলেন যে, রাজরাজেশ্বরী মন্দিরে যখন জমিদাররা পশু বলি দিবেন তখন সরকারি নাজির উপস্থিত থাকবেন। সে আমলে নাজির হলেন সরকারের একজন বিশেষ আমলা।

রাজরাজেশ্বরী মন্দিরে বলির দিন হঠাৎ বিবাদ শুরু হলো কে আগে অর্থাৎ কোন জমিদার আগে বলি দেবেন তা নিয়ে। হুট করেই সরকারি নাজির, বিষ্ণুরাম আচার্যের বংশধরদের দায়িত্বে থাকা জমিদারির পক্ষে প্রথম বলি হবে বলে ঘোষণা করেন। এতে উপস্থিত থাকা রামকিশোরের আদেশে শেষ পর্যন্ত সেই নাজির কে বলি দেওয়া হয়েছিল!

রাম কিশোর ১৮৬০ সালে বিদ্যাময়ী দেবীকে বিয়ে করেন। তার ছোট বড় সব সন্তান অল্প বয়সে মারা যায় বেঁচে থাকেন শুধু জগৎ কিশোর। আসলে রামকিশোর ছিল হরিনাম আচার্যের দ্বিতীয় পুরুষ গৌরিকিশোর আচার্য ও চন্দ্রাবলী দেবীর দত্তক পুত্র।
রামকিশোর এর আসল বাবা ছিল গগন চৌধুরী। ফলে রামকিশোর গগন চৌধুরীরও সম্পত্তি লাভ করে। কিন্তু নিকটাত্মীয়রা অভিযোগ করলো রামকিশোর অসিদ্ধ।
রামকৃষ্ণ ছিল প্রচন্ড জেদী এবং একরোখা মানুষ। তিনি প্রতিপক্ষের সাথে মামলা চালিয়ে যান একা ও নিজ বুদ্ধিতে। কিন্তু মৃত্যুর আগে মামলার ফলাফল দেখে যেতে পারেননি

সাহসী ও সংগ্রামী দুর্জয় ছিলেন রামকিশোর। অনেকটা রাগী দাম্ভিক ও নিষ্ঠুর ছিলেন। জমিদারদের প্রজার নিপীড়নের দৃষ্টান্ত হিসেবে এবং সরকারি নাজির বলি দেয়ার জন্য রামকৃষ্ণ নামটি সঙ্গে অনেকটা লোমহর্ষক ঘটনা জড়িয়ে আছে।

১৮৭৫ সালে রামকিশোর মৃত্যুবরণ করে।

রাম কিশোর মৃত্যুর পর তার জমিদারী চলে যা কোর্ট অফ ওয়ার্ডস এর অধীনে।
বিদ্যাময়ী দেবী তার নিজের জমিদারির অংশে "ময়মনসিংহ বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়" প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্কুল গুলোর মধ্যে একটি। বিদ্যাময়ী দেবী ১৯০৯ সালে কাশীধামের মৃত্যুবরণ করেন!
 


জগৎ কিশোর আচার্য চৌধুরী 




রামকিশোর আচার্যের পুত্র জগৎ কিশোর ১৮৬৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার নাম লিখে রেখেছিলেন মা বিদ্যাময়ী দেবী। তার বাবা মারা যায় ১৮৭৫ সালে এবং সেও তখন নাবালক। তাই সম্পত্তি চলে যায় কোর্ট অফ ওয়ার্ডস এর কাছে।
রামকিশোর এর বংশের অন্যদের সাথে ভালো সম্পর্ক না থাকায় জগৎ কিশোর বিব্রতকর অবস্থায় বিরাজমান ছিলেন। বিদ্যাময়ী জগৎ কিশোরকে ভর্তি করিয়ে দিলেন কলকাতার বিখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান "ওয়ার্ডস ইনস্টিটিউট"এ।
তিনি নিয়মিত ব্যায়াম চর্চা, ঘোড়ায় চড়া, কুস্তি লড়া অভ্যাস রপ্ত করেন। কিছু সময় পর তিনি কলকাতা থেকে এসে ময়মনসিংহ সরকারি স্কুলে ভর্তি হন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি বাড়ি ফিরে প্রজাদের কাছে ছিলেন এক নম্বর সারিতে। প্রজাসাধারণের কল্যাণ সাধনের প্রতি তিনি এক ধরনের দায়বদ্ধতা অনুভব করতেন।

১৮৮০ সালে ১৭ বছর বয়সে রাজবালা দেবীকে বিয়ে করেন।
১৮৮৪ সালে জগৎ কিশোর তার বাবার উত্তরাধিকার মামলায় জিতে যায়, এবং ওই দিনই জন্ম লাভ করেন তার সন্তান। তাই তিনি তার নাম দেন জিতেন্দ্র কিশোর।

এছাড়াও জগৎবাবুর আরো তিন সন্তান ছিল:
১. বীরেন্দ্র কিশোর
২. নৃসিংহ কিশোর
৩. ভূপেন্দ্র কিশোর

বীরেন্দ্র কিশোরকে শিবরাম আচার্য চতুর্থ পুরুষ সূর্যকান্তকে দত্তক দেন। ১৮৯০ (মতান্তরে ১৮৯৪) সালে নিজ জমিদারীর উপর বাবার নাম অনুসারে মুক্তাগাছায় "আর কে স্কুল" বা "রামকিশোর স্কুল" প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি যতদিন জীবিত ছিলেন ততদিন পর্যন্ত এই বিদ্যালয়ের সকল ব্যয়ভার এককভাবে বহন করতেন।  



ময়মনসিংহের আনন্দমোহন মহাবিদ্যালয়কে তিনি একবার এককালীন ১০ হাজার টাকা প্রদান করেন।

১৯০৪ সালে বীরেন্দ্র কিশোরকে ইংরেজ সরকার রাজা উপাধি দেন। ধর্মের দিক থেকে তিনি ব্রাহ্মণদের প্রাধান্য বেশি দিতেন। পারিবারিক দেবদেবীর উপর অগাধ বিশ্বাসের বিশ্বাসী ছিলেন এবং প্রচুর দান করতেন।
গ্রামের মোড়লদের নিয়ে আড্ডা দিতেন। তিনি শ্রীজানলক্ষী নামক এক বাইজির নিকট গানের তালিম এর জন্য গিয়েছিলেন। ফলে মা বিদ্যাময়ী রাগ করেন। তাই বাকি জীবনে তিনি আর কোনদিন মদ ও বাইজি স্পর্শ করেননি। জগৎ কিশোর আচার্য চৌধুরী প্রচুর দান করতেন এবং তার দান ছিলো গরিব প্রজাদের জন্য। তিনি প্রতিদিন সকালে ঘোড়ায় চড়ে বেড়াতেন।

রাজার জন্য বিভিন্ন জায়গায় গরিব প্রজার অপেক্ষা করতেন গোপন সাক্ষাতের জন্য। এর মাধ্যমে তিনি গোপনে দান করে যেতেন। রাজা জগৎ কিশোর ৬৫ বছর বয়সেও ঘোড়ায় চড়ে বেরিয়েছেন নিয়মিত। নিজেই হাতি চালনা করতেন একজন দক্ষ মাহুতের মত।
বাড়িতে চার-পাঁচজন পাঞ্জাবি পালোয়ান মাসিক মাহিনা দিয়ে রাখতেন। রাজা ৫৪ বছর বয়স পর্যন্ত কুস্তি লড়েছেন।
মহারাজ সূর্যকান্ত যেমন পাকা শিকারি ছিলেন জগৎ বাবু তেমনি শিকারি ছিলেন।
হাতি,তাঁবু, ঠাকুর, চাকর-বাকর, গরুর গাড়ি, ওষুধপত্র নানা জিনিসপত্র সহ দুই তিন শত লোক নিয়ে শিকার করতে যেতেন। তিনি শিকার করতে সিলেটের পশ্চিমে তরাই নামক একটি স্থানে যেতেন।
   


১৯২৬ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার মা এর প্রতিষ্ঠিত বর্তমানের বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা প্রদর্শন করতে আসেন।  
৬৮ বছর বয়সে তার শারীরিক অসুস্থতা দেখা যায় এবং দুঃখজনকভাবে তিনি চোখের দৃষ্টিও হারিয়ে ফেলেন।

১৯৩৮ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।



জিতেন্দ্র কিশোর আচার্য চৌধুরী 




১৮৮৪ সালে জিতেন্দ্র কিশোরের জন্ম। ১৮৯৯ সালে নাটোরের আমহাটি গ্রামের সারদাপ্রসাদ রায় কন্যা জ্যোতির্ময়ী দেবীর সাথে তার বিয়ে হয়। ১৯০৩ সালে জিতেন্দ্র কিশোর এর পুত্র জীবেন্দ্র কিশোর জন্মগ্রহণ করার সময় জ্যোতির্ময়ী দেবী মৃত্যুবরণ করেন।

বাংলাদেশের যে কয়জন রাজা বা জমিদার তৎকালীন ভারতের সঙ্গীত চর্চায় আবদ্ধ ছিলেন, তাদের মধ্যে জমিদার জিতেন্দ্র কিশোর আচার্য চৌধুরী অন্যতম।
অনেক খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী মুক্তাগাছার রাজপরিবারে বেতনভোগী কর্মরত ছিলেন। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গীত সাধক কোন অতিথি হিসেবে সংগীত পরিবেশনা করতে মুক্তাগাছায় আসতেন। তাদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য নগেন্দ্র চন্দ্র ভট্টাচার্য, শ্যামবাবু প্রমুখ।

 Raja J People here practice Rabindra Sangeet, Nazrul Sangeet, Kirtan, Lalon Geeti etc. In addition, various cultural activities are held around the year. The artist association of Muktagacha is 'Aymon Tirer Shillpy Somaj' according to the name of Aymon River. (Wiki)   

জিতেন্দ্র কিশোরের বয়স যখন মাত্র নয় তখন থেকেই তিনি গান গাইতে পারতেন। তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতেন। বিভিন্ন জায়গায় তিনি গান গেয়েছেন এবং সঙ্গীতের প্রতি তার ছিলো অগাধ ভালোবাসা। তৎকালীন সঙ্গীতজগতে তিনি ছিলেন বাংলার এক খ্যাতিমান পুরুষ। সংগীত সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ, হাফিজ আলি খান, দিদার খান মুক্তাগাছায় আসতেন। মুক্তাগাছার সংস্কৃতি চর্চা দলকে "আয়মান তীরের শিল্পী সমাজ" বলা হতো কেননা মুক্তাগাছা আয়মান নদীর তীরে ছিল।
এলাহাবাদ কলকাতা সহ বিভিন্ন জায়গায় এই দল গান গেয়েছে। এদলের অন্যতম প্রানপুরুষ ছিলেন জিতেন্দ্র কিশোর আচার্য।
ভোজনবিলাসী হিসেবে তিনি খ্যাতি লাভ করেছে, প্রচুর খেতে পারতেন। মাত্র চল্লিশের ৪০ বছর বয়সে বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হন। ১৯৪১ সালে নেফ্রাইটিস এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।




জীবেন্দ্র কিশোর আচার্য চৌধুরী 


   



১৯০৩ সালে জীবেন্দ্র কিশোরের জন্ম হয়। তিনি প্রথমে মুক্তাগাছার আর কে স্কুলে এবং পরবর্তীতে কলকাতার মিত্র ইন্সটিটিউশন ভর্তি হন। জীবেন্দ্র কিশোরদের জীবনযাত্রা কেমন ছিল তা তার আত্মজীবনী "আমি"- এর প্রথম ও দ্বিতীয় খন্ড থেকে শোনা যাক:

"আমাদের বাড়িতে বসবাস শুরু হবার সময় মুক্তাগাছার পারিপার্শ্বিক অবস্থা ভালো ছিলো না এবং জমিদারী কর্মচারীদের মধ্যে সম্পর্ক বেশি ভালো ছিল না। পিতার বিরোধিতার পর মদ্যপান কিছুটা কমে আসে। জমিদারি সাধারণ কর্মচারী তো বটেই এমনকি অন্যান্য অধীনস্থ লোকেরাও রীতিমতো মদ্যপান করে। মোটকথা সমাজের বাধা সম্মুখীন হইতো না, মদের অবাধ প্রচলন ছিল। বাবা এই বিষয়ে খুবই সচেতন ছিলেন শেষে আমরাও যদি অভ্যস্ত হইয়া পড়ি সেজন্য তিনি সর্বদা আমাদের উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখতেন।"

জীবেন্দ্র কিশোর সাহিত্য চর্চা করতেন। তাদের বাড়িতে অর্থাৎ এখন যা "মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ি" নামে পরিচিত সেখানে একটি লাইব্রেরি ছিলো। এ লাইব্রেরীর সংগ্রহ ছিলো ঈর্ষা করার মত। পরবর্তীতে এটি পূর্ব পাকিস্তানের একটি উল্লেখযোগ্য লাইব্রেরি হিসেবে স্বীকৃত হয়।
জীবেন্দ্র কিশোর আচার্য চৌধুরী রচিত গ্রন্থটি কলকাতার পাইওনিয়ার পাবলিকেশন থেকে ১৯৭৯ ও ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয়

জীবেন্দ্র কিশোর বাবু বইয়ের দ্বিতীয় খন্ডে তিনি বলেছেন: "নেতাজি ময়মনসিংহে ৪ দিন অবস্থান করে। তিনি মুক্তাগাছা নেত্রকোনা ময়মনসিংহ পৌরসভায় আলেকজান্ডার ক্যাসেলে অবস্থান করে মিছিলে অংশগ্রহণ সহ ইত্যাদি অনেক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।"

প্রকৃতপক্ষে বিষয়টি সঠিক নয়। প্রকৃত ঘটনা হলো, নেতাজি ময়মনসিংহ রেলযোগে এসে স্টেশনে গাড়ি দাঁড়ানো অবস্থায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দেশপ্রেম মূলক বক্তব্য রেখে ওই ট্রেনে করে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এ পর্যন্ত নেতাজি সম্পর্কিত অনেক গবেষণামূলক গ্রন্থ লেখা হয়েছে যেখানে জীবেন্দ্র বাবুর দেয়া তথ্য কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন জীবেন্দ্র বাবু জমিদারির দায়িত্ব বুঝে বুঝে নেন। এ সময় তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব পান আর কে স্কুলের সেক্রেটারি এবং পৌর পিতার পদ।
জীবেন্দ্র বাবু ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭ অর্থাৎ ভারত-পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার সময়, কলকাতায় অবস্থান করছিলেন।


দেশভাগ হবার কারণে জীবেন্দ্র বাবুর মন খারাপ ছিল। মনকে প্রফুল্ল করার জন্য নামকরা সমস্ত ধর্মীয় স্থান চষে বেরিয়েছিলেন একটু শান্তির জন্য। কিছুদিন পর মাতৃভূমে ফিরে এসে দেখলেন জমিদারী বিলোপের ফরমান। সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করলেন এবং মামলায় হারলেন। অবশেষে ১৯৫৭ সালে মূল্যবান রিলিক্স অর্থাৎ যতটুকু বহনযোগ্য নিয়ে সাত পুরুষের ভিটা মাটির মায়া ত্যাগ করে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন..।


পরবর্তী পর্বে মুক্তাগাছা রাজপরিবারের বর্তমান অবস্থা এবং ১৯৪৭ সালের পরবর্তী অবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
গত পর্বের লিংক: গত পর্বের লিঙ্ক


আবিদ আল মুদাব্বির
ইতিহাসনামা.কম এর প্রধান কনটেন্ট রিসার্চার। ইতিহাসের পাতায় ডুবে থাকতে ভালবাসেন। যেখানে লোকের বিশ্বাস "বর্তমানে বাঁচো এবং ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করো",সেখানে তিনি বিশ্বাস করেন, অতীত ইতিহাসের পাতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে চলায়!