ইতিহাসনামায় আপনাকে স্বাগতম

প্রস্তর যুগ - লিখেছেন - ফাইরুজ আফরোজ




এইতো সেদিনো ভেবেছি,
মাঝ দুপুরে সবাই যখন ঘুমে বিভোর
ঠিক সেই মুহুর্তে,
মায়ের হাতের শক্ত বাঁধণ খুলে,
বাবার চোখকে নিমিষেই ফাঁকি দিয়ে,
মুক্ত পথে চোখ বুলাবো।
মায়ের আঁচল ভুলে যেই
বাহির পানে পা রাখবো,
ওমনি! চোখে পরে,
  ওথ পেতে বসে থাকা
  শত শত হায়েনাগুলোর দিকে।
হঠাৎ পিছন হতে ডাক আসে,
আমার অভাগী মায়ের!
ফিরে আয় খুকি!
  একা একা বাহিরে পা দিসনে খুকি,
ফিরে আয়।
তবে, তোমরা যে বলো,
  যুগ আধুনিক হয়েছে!
ছেলে-মেয়ে উভয়ই সমান!
এই বুঝি তার প্রমান!
দিনের আলোয় শুধু হিরামনি নয়,
তার মতোন অজস্র মেয়ে ধর্ষণ হচ্ছে।
  নিরবে নিজ গৃহে,
বাহিরের কিছু নর পশুর হাতে।
সেই মানুষ রূপি পশুদের যখন বিচার চাইছে,
সাহসী নুসরাতের মতোন শত শত তরুনী,
ঠিক তখনি আগুনে দগ্ধ হচ্ছে তারা!
  ঐ ভয়ংকর আগুন শুধু এক কিশোরীর
  স্বপ্ন কেড়ে নেয় না,
লক্ষ লক্ষ পরিবারের সুখ, আনন্দ
ঐ জলন্ত আগুনে পুরে এক মুঠো ছাইয়ে রুপ নেয়।
আমি জানি, এর মাঝেও
কিছু মানুষ গলা উঁচু করে বলবে,
এক হাতে তালি বাজেনা!
তবে বলতে পারো,
  ৮ মাসের সেই শিশু মেয়েটির কি দোষ ছিল!
নারী রুপে জন্মেছিল এই কী তার দোষ?
আমি জানিনা,
তোমরা আধুনিক বলো কারে!
আজও যেই পথে দিনের আলো ফুরালে,
এক নারীর সম্মুখে হিংস্র হায়েনার প্রবেশ ঘটে।
তারে চিরে খায় পথের মাঝে!
তোমরা কী তারে আধুনিক বলো?
আমি বলছিনা যে সব পুরুষই একই খাতায়।
তবে, ঠিক করনার জীবানুর মতোনই
ছড়িয়ে আছে আমাদের পাশে,
মানুষ রুপি হায়েনা গুলো।
একের পর এক অন্যায়ে লিপ্ত তারা।
কই তাদেরতো সাজা হয়না!
ঠিক যতোটা কষ্টে এক কিশরীর রক্তাক্ত শরীর,
জলন্ত আগুনের মাঝে দুমরে মুছরে শেষ হয়ে যায়!
যদি কমপক্ষে একজন ধর্ষক
সেই কঠিন সাজা খানা পেতো!
সকলের সম্মুখে তার প্রাণখানা রেখে,
দেহখানা কয়েক খন্ডে বিখন্ডিত করা হতো,
তাকে যদি জলন্ত আগুনের মাঝে
নিক্ষেপ করা হতো!
তবে, আর কোনো নারী রাতের আধারে
হিংস্র পশুর ভয়ে শিওরে উঠতো না।
তবেই বুঝতাম,পালটেছে যুগ,
পালটেছে মানুষের মানুষিকতা।     

+লেখক: ফাইরুজ আফরোজ