ইতিহাসনামায় আপনাকে স্বাগতম

একজন বীর যেভাবে থামিয়ে দিয়েছিলেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা

পৃথিবীবাসীর সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম নিউক্লিয়ার ওয়ারফেয়ার। হিরোসিমা নাগাসাকির ক্ষত আজো বয়ে বেড়ায় জাপানিজরা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে, বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে উত্তপ্ত সময় ধরা হয় আমেরিকা-সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধকে। টানা ৪৫ বছরের এই সংঘাত, ক্রান্তিলগ্নে পৌছায় ষাটের দশকে। যার জের ধরে, আজকের প্রতাপশালী আমেরিকার মূল ভূখন্ডে, পারমাণবিক হামলার সতর্কতা জারি হয়েছিলো ১৯৬২ সালে।
প্রতিবেশী দ্বীপদেশ কিউবার সাথে আদর্শ এবং ভূ-রাজনীতি নিয়ে আমেরিকার বিবাদ গড়ায়, "কিউবান মিসাইল ক্রাইসিস" এ।

ছবিঃকিউবান সাবমেরিন


স্যোসিয়ালিস্টিক কিউবার সাথে আজো তিক্ত সম্পর্ক আমেরিকার। কিউবান বিপ্লবের পর বহু মানুষকে আশ্রয় দেয় আমেরিকা। নিজের দেশে ফিরে যেতে সাম্রাজ্যবাদীদের সাথে সেই রিফিউজি কিউবানরাও চেয়েছিলো ফিদেল ক্যাস্ট্রোর পতন। তাই কিউবার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে বেগ পেতে হয়নি আমেরিকাকে। রিফিউজিদের দ্বারা পরিচালনা করা হয়, বে অফ পিগস এর যুদ্ধ।
কিউবার স্বাধীনতায় আমেরিকার হস্তক্ষেপের সুযোগ লুফে নেয় সোভিয়েত রাশিয়া। কিউবার সমুদ্র ও আকাশে ভাসে যুদ্ধের ধ্বনি।


বিগত দশকের তাৎপর্যপূর্ণ এই সংকট আলোচনার টেবিলে শেষ হলেও, সোভিয়েত ইউনিয়নের পক্ষে শেষ মূহূর্তে পারমাণবিক বোমা হামলা থেকে বিরত থাকে, সোভিয়েত সাবমেরিন B-59। এই রোমহর্ষক ঘটনার পেছনের নায়ক, সেকেন্ড ইন কমান্ড "ভাসিলি আরকিপভ"।
পৃথিবীর শান্তিপ্রিয় মানুষেরা ভাসিলিকে মনে রাখলেও, অধিকাংশ মানুষই চেনেননা এই মহান বীরকে।
ভাসিলি আরকিপভকে স্মরণ করতেই আমাদের আজকের আয়োজন। 
B